আবুল কালাম আজাদ ( স্বাধীন ) নোয়াখালী প্রতিনিধি: “ মুজিব বর্ষের শপথ, সড়ক করবো নিরাপদ ” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ( বিআরটিএ ) হেড অফিসের নির্দেশনায় এবং জেলা প্রশাসকের সার্বিক সহযোগীতায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২০ উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত আলোচনা সভা নোয়াখালী সার্কেল সহকারি পরিচালক ( ইঞ্জিঃ) প্রকৌশলী আতিকুর রহমানের তত্ত¡াবধানে ও সঞ্চালনায় এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তারিকুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আলমগীর হোসেন, সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব বিনয় কুমার পালসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা মটরযান পরিদর্শক মোঃ নাজমুল হাসান ও মোঃ আব্দুল করিমসহ অত্র অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগন। প্রধান অতিথি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, আমাদের সকলকেই নিরাপদ সড়ক তৈরির ক্ষেত্রে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, সড়ক দূর্ঘটনা দেশে মহামারির চেয়েও ভয়ংকর করোনাভাইরাসে প্রথম যেদিন একজন মৃত্যুবরণ করে, সেদিন সড়ক দূর্ঘটনাতে মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের। তিনি সকলকে বিআরটিএ নিয়ম ও নির্দেশনা মেনে চলার আহবান করেন। প্রকৌশলী আতিকুর রহমান মোটরযান চালক, মালিক, মোটরসাইকেল, যাত্রী ও পথচারীদের সামনে নিরাপদ সড়ক সৃষ্টির ক্ষেত্রে কেমন ভূমিকা রাখতে হবে সকলকে এরুপ তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য পেশ করেন। তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় নোয়াখালীর কৃতিসন্তান জনাব ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের সড়ক ও সেতুমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পর থেকে সড়ক বিভাগে ব্যাপক পরিবর্তনশীল উন্নতি দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ সড়ক তৈরি ক্ষেত্রে এতবেশি আন্তরিক আজকে তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনেক সময় ধরে বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন। নির্বাহী প্রকৌশলী বিনয় কুমার পাল বসক্তব্যে সড়ক ও সেতুমন্ত্রীর প্রতি কৃতঙ্গতা প্রকাশ করে বলেন, সড়ক বিভাগের যে উন্নতি সাধিত হয়েছে তার নিদর্শন নোয়াখালীতেও দেখতে পাচ্ছেন। ৪ লেন সড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি সড়ক নির্মাণ চলমান। জনগনের জন্য উন্মুক্ত হলে নোয়াখালী অর্থনৈতিকভাবে পূর্বের তুলনায় আরও অনেক উন্নতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নিরাপদ সড়ক সকলেরই কাম্য তাই আমাদের সকলকেই এর জন্য কাজ করতে হবে। সরকারের পাশা-পাশি দেশের জনগন আন্তরিক হলে যে কোন কঠিন সমস্যা সমাধান করা যায়। তিনি আরও বলেন, এদেশে সড়ক দূর্ঘটনা যুদ্ধের চেয়েও ভয়াবহ। একটি মৃত্যু মানে সারা জীবনের জন্য কান্না। তিনি সকলকেই শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে জীবন যাপনের পাশা-পাশি বিআরটিএ নির্দেশনা ও নিয়ম অনুসারে পথ চলাচল করার আহবানও করেন।