আবুল কালাম আজাদ ( স্বাধীন), নোয়াখালী প্রতিনিধি: “ দেশের এক ইঞ্চি প্রতিত জমিও খালি থাকবে না” করোনাভাইরাসের সৃষ্ট পরিস্থিতিতে খাদ্য সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা ও মুজিববর্ষের গাছ লাগানোর আওতায় কর্মসূচির ডাকে সাড়া দিয়ে নোয়াখালীতে পতিত জমিতে ধান, সবজি ও বিভিন্ন জাতের ফলের গাছ লাগিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত চাকুরীজীবী সৌখিন কৃষক দ্বীন মোহাম্মদ। একান্ত সাক্ষাতে এর ধারাবাহিকতা অব্যহত রাখার প্রতিশ্রæতি দিয়ে তিনি বলেন, এ উদ্যোগে সফল এবং অত্যন্ত খুঁশি হয়েছেন। তাঁর পিতা মৃত গনু মিয়া ছিলেন একজন কৃষক। শুরু থেকে পিতার পরিবারে গোলাভরা ধান ও পুকুরভরা মাছ ছিল। তিনি নোয়াখালী পৌরসভা ৩ নং ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধার স্বপক্ষের একজন আওয়ামী পরিবারের গর্বিত কৃষকের ছেলে। তিনি সুধারাম থানার কেন্দ্রিয় সমবায় সমিতির ম্যানেজার হিসেবে ১৯৭২ সালে যোগদান করে বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালে ১৫ ই আগস্ট নির্মন হত্যা কান্ডের প্রতিবাদে মনের দুঃখ ও ক্ষোভে পদোন্নতি বিষর্জন দিয়ে অবসর যাপন করেন। তিনি একজন গর্বিত পিতার একজন আওয়ামী সমর্থক দাবি করে বলেন, ১৯৭১ সালে সাবেক জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রফেসর মোঃ হানিফের সফর সঙ্গী হয়ে ভারতে গিয়েছেন সাংগঠনিক কাজে। ১৯৯১ সালে তাঁর তৃতীয় ছেলে মৃত তৈয়ুব হোসেন নোয়াখালী সরকারি কলেজের জিএস হিসেবে নির্বাচিত হন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য ২০১০ সালের ৯ ই আগস্ট সাউথ আফ্রিকায় সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। তার জানাজায় সদর -৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুৃরীও উপস্থিত ছিলেন। বড় ছেলে মোঃ শাহাদাত হোসেন সোহাগ বর্তমানে শহর আওয়ামীলীগের জযেন্ট সেক্রেটারীর দায়িত্ব পালন করে দলকে সুসংগঠিত করার কাজ করে যাচ্ছেন। দ্বীন মোহাম্মদ পৌর অঞ্চলে শহরের উপর পতিত জমিতে অসময়ে ব্রী ধান-৫৪ এর ফলন করেন ৬০ ডিসিম জমির উপর। ভালো ফলন দেখে পতিত জমিতে চাষে উদ্বুদ্ধ হন অনেকে। এবং বাড়ির আঙ্গিনাসহ শাক-সবজির চাষ করেন ৪০ শতাংশ জমিতে । মোট ১ ( এক একর) জমিতে বিষমুক্ত ফলন পেয়ে খুশি কৃষক পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসী। এ বিষয়ে তাঁর বড় ছেলে শহর আওয়ামীলীগের জয়েন্ট সেক্রেটারী বলেন, আমার শুদ্ধেয় পিতাকে সৃজনশীল ফসল উৎপাদনে সবসময় সহযোগীতা ও উৎসাহ প্রদান করে আসছি। কৃষি অধিদপ্তরসহ সরকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় সহযোগীতা পেলে ধান উৎপাদনসহ অন্যান্য শবজি চাষের পরিমান আরও বৃদ্ধি করার আশা প্রকাশ করেন।