মাত্র দুই বছর বয়সে পিতৃহারা হয় বিলকিছ আক্তার। এক ভাই ও মা বিবি হাজেরাকে নিয়ে তাদের সংসার। ছোট বেলা থেকে দুই ভাই-বোনের খাবার ও ভরণ-পোষণ যোগাতে মানুষের বাড়ীতে কাজ করতো তাদের মা হাজেরা। কিশোর বয়স থেকে রাজমেস্ত্রী কাজ করে মা’এর পাশাপাশি সংসারের হাল ধরে বড় ভাই নূর নবী। কোন মতে চলে তাদের সংসার। এরমধ্যে বিয়ে উপযুক্ত হয় বিলকিছ আক্তার। কিন্তু টাকার অভাবে তার মা ও ভাইয়ের পক্ষে বিয়ের আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। আর এই সময় তাদের পাশে এসে দাড়িঁছে পুলিশ নারী কল্যান সমিতি (পুনাক)। দায়িত্ব নিলেন বিলকিছিরে বিয়ের।

বুধবার দুপুরে জেলার সদর উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের পূর্ব দেবীপুর গ্রামের সামনার বাপের বাড়ীতে বিলকিছের বিয়ের অনুষ্ঠানে কথা হয় বিলকিছির ভাই নূর নবীর সাথে।

নূর নবী জানান, আমি পুলিশ নারী কল্যান সমিতির সভাপতি তানিয়া আলমগীরের কাছে কৃতজ্ঞ। উনার সহযোগিতায় চৌমুহনী পৌরসভার করিমপুর গ্রামের তোফায়েল আহমদের ছেলে মো. শাহাদাত হোসেনের সাথে আমার বোনের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও বিয়ের সকল আয়োজনে উনারা সার্বক্ষনিক আমাদের সহযোগিতা করেছেন।

পুলিশ নারী কল্যান সমিতির সভাপতি তানিয়া আলমগীর জানান, পুনাকের আয়োজনে মেলাসহ বিভিন্ন খাত থেকে আয়ের লাভের অংশ অসহায়, দুঃস্থ, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যানে ব্যায় করা হয়। পুনাকের এক কার্যক্রম আগামীতেও অব্যহত থাকবে।

তিনি আরো জানান, বিয়ের অনুষ্ঠানে তিনি এবং পুনাকের সহ-সভাপতি আয়েশা বেগম উপস্থিত ছিলেন। সুধারাম মডেল থানার ওসি মো. নবীর হোসেনের বিয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সহযোগিতা করেন।