সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

সোনার বাংলা উন্নয়ন লীগসহ নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধের জন্য ৫টি রাজনৈতিক দল আবেদন করেছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সমানে রেখে নতুন করে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন দিচ্ছে ইসি। নিবন্ধন নিতে চাইলে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

সূত্র জানায়, সোনার বাংলা উন্নয়ন লীগ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এ দল আসলে কাদের। এটা কোন দলের অঙ্গ সংগঠন কিনা এ নিয়ে কানাঘুষা চলছে।

জানা গেছে, সময় মাত্র ৬ দিন থাকলেও এপর্যন্ত বাংলাদেশ ইসলামিক গাজী, বাংলাদেশ জনতা পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ জালালী পার্টি এবং সোনার বাংলা উন্নয়ন লীগ নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে।

এ বিষয়ে ইসির সহকারী সচিব রৌশন আরা বেগম জানান, নতুন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, তিনটির মধ্যে একটি শর্ত পূরণ হলেই তারা নিবন্ধনের যোগ্য হবেন। শর্তগুলো হলো- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যেকোনো জাতীয় নির্বাচনের আগ্রহী দলটির যদি অন্তত একজন সংসদ সদস্য থাকেন। যেকোনো একটি নির্বাচনে দলের প্রার্থী অংশ নেওয়া আসনগুলোয় মোট প্রদত্ত ভোটের ৫ শতাংশ পায়, এবং দলটির যদি একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়, দেশের কমপক্ষে এক তৃতীয়াংশ (২১টি) প্রশাসনিক জেলায় কার্যকর কমিটি এবং অন্তত ১০০টি উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানায় কমপক্ষে ২০০ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত দলিল থাকে।

নতুন দলের নিবন্ধনের জন্য আবেদনের বিষয়ে ইসির সহকারী সচিব রৌশন আরা বেগম জানান, ‘আমাদের কাছে নতুন দলের নিবন্ধন চেয়ে কয়েকটি আবেদন এসেছে। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আবেদন পাওয়ার পর কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী আবেদন যাচাই-বাছাই, দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে মার্চের মধ্যে নতুনদের নিবন্ধন চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে যাতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারাও অংশ নিতে পারে।’

আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার আগে কেউ আবেদন করে থাকলে তা গ্রহণ করা হবে না। তাদেরকে পুনরায় নতুন কমিশনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে বলেও জানান তিনি।

নতুন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, তিনটির মধ্যে একটি শর্ত পূরণ হলেই তারা নিবন্ধনের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়।

শর্তগুলো হলো-

১. দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যেকোনো জাতীয় নির্বাচনের আগ্রহী দলটির যদি অন্তত একজন সংসদ সদস্য থাকেন।
২. যেকোনো একটি নির্বাচনে দলের প্রার্থী অংশ নেওয়া আসনগুলোয় মোট প্রদত্ত ভোটের ৫ শতাংশ পায়, এবং
৩. দলটির যদি একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়, দেশের কমপক্ষে এক তৃতীয়াংশ (২১টি) প্রশাসনিক জেলায় কার্যকর কমিটি এবং অন্তত ১০০টি উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানায় কমপক্ষে ২০০ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত দলিল থাকে।

এছাড়া ইসি কর্মকর্তারা জানান, তারা দলগুলোর সব ধরনের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী কোটার বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। নিবন্ধন শর্ত অনুযায়ী, ২০২০ সালের মধ্যে প্রত্যেক দলকে এই কোটা পূরণ করতে হবে।

অবশ্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ কয়েকটি দল তাদের কমিটিতে ১৫ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব রয়েছে বলে কমিশনকে অবহিত করেছে। আর ২০২০ সালের মধ্যে কোটা পূরণের প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছে।