সংবাদ শিরোনাম
নোয়াখালী , ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ৮ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালী-২ আসনে আ.লীগ-বিএনপির সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ২১

বিশেষ প্রতিনিধি:
নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী একাংশ) আসনের সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। এসময় দু’দলের নির্বাচনী অফিস ও কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ছাতারপাইয়া বাজারে এ সংঘর্ষ হয়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে বজরা, চৌমুহনী ও দাগনভূঞা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় ছাতারপাইয়া বাজারে আ’লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি নির্বাচনী মিছিল বের করে। এসময় উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষকারীরা বাজারের কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করে। এসময় বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে বিজিবি ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিএনপি প্রার্থী জয়নুল আবদীন ফারুক অভিযোগ করেন, ধানের শীষের সমর্থনে বেশ কয়েকটি স্থানে মিছিল করে আমার দলের নেতাকর্মীরা। সন্ধ্যায় ছাতারপাইয়া বাজারে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীরের নেতৃত্বে নৌকা মার্কার সমর্থকরা ছাতারপাইয়া বাজার বিএনপির মিছিলে হামলা চালায়। এর আগে নবীপুর ও জয়নগরেও ধানের শীষ মার্কার মিছিলে হামলা চালায় আ’লীগের নেতাকর্মীরা। এতে অন্তত ১৪ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

অপরদিকে বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগ অস্বীকার করে সেনবাগ উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ফিরোজ আলম রিগান জানান, হামলার সময় ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক তানভির সেবারহাট বাজারে ছিল।

উল্টো রিগান অভিযোগ করে বলেন, কোন প্রকার উস্কানি ছাড়াই ধানের শীষ মার্কার সমর্থকরা ছাতারপাইয়া বাজারে নৌকা মার্কার নির্বাচনী অফিসে হামলা চালায়। এতে যুবলীগ নেতা ইব্রাহিম গুলিবিদ্ধসহ ৭জন আহত হয়। বর্তমানে যুবলীগ নেতা ইব্রাহিম বজরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থা আশংকাজনক।

ঢাকাটাইমস

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*